আজ ৭ জুলাই, ২০২০ || ২৩ আষাঢ়, ১৪২৭

শিরোনাম
  আনোয়ারায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে এক নারীর মৃত্যু       ১৫ আনসার ব্যাটালিয়ন অধিনায়কের পটিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আইসোলেশন সেন্টার পরিদর্শন ও সুরক্ষা সামগ্রী বিতরন       পটিয়ায় মাচা পদ্ধতিতে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল পালন প্রকল্পে উপকরণ বিতরণ স্বল্প আয়ের মানুষদের উৎসাহিত করতে হবে: হুইপ সামশুল হক চৌধুরী       পটিয়ায় কৃষি অফিসের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন       ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা কিশোরী, ৯ মাস পর মামলা       আল্লামা নঈমীর মৃত্যুতে চন্দনাইশ উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুল জব্বারের চৌধুরীর শোক       পটিয়া পৌরসভা ছাত্রলীগের (প্রবীণ নবীন) এর পরিচালনায় চালু হয়েছে ‘অক্সিজেন টিম সাপোর্ট পটিয়া’।       চন্দনাইশে অসচ্ছল ২ জন সংস্কৃতিসেবীকে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে অনুদানের চেক বিতরণ       চন্দনাইশে ১০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৬৯ জন নন-এমপিও শিক্ষক ও ১৯ জন কর্মচারী প্রধানমন্ত্রীর অনুদানের চেক পেল       আল্লামা মুফতি ওবাইদুল হক নঈমী’র মৃত্যুতে যুবলীগ নেতা হোসাইন রনির শোক    


এমএহামিদ:
মধ্যবিত্ত পরিবার গুলোতো করুণার পাত্র নয়, সবার মত বাঁচার অধিকার নিয়ে বাঁচতে চাই।

সারা বিশ্বে প্রতিটি মুহুর্তে কেউ না কেউ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছে, প্রতিনিয়ত যোগ হচ্ছে নতুন নতুন মৃত্যু।

দিন দিন করোনা ভাইরাসে দেশজুড়ে আক্রান্তদের সংখ্যা হু হু করে বেড়েই চলছে। স্থবির হয়ে আছে সারা বিশ্ব। সংক্রমিত হয়ে উঠেছে শহর থেকে গ্রামের এলাকাগুলো।
বিভিন্ন দেশে কারফিউ জারি করেছে। আমাদের প্রিয়মাতৃভূমি বাংলাদেশেও করোনাভাইরাস আক্রান্ত মৃত্যু বেড়ে যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার দেশের সরকারী বেসকারী অফিস আদালত শপিং মল মিলখালখানা বন্ধঘোষণা করেছে। লকডাউন করেছে অনেক এলাকাজুড়ে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও
ওষুধের দোকান খোলা থাকলেও বন্ধ
রয়েছে প্রায় সব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। ঘরে বন্ধী উপার্জনের মধ্যমণি কর্তাটি। বলতে গেলে উপার্জনের সব পথ বন্ধ অধিকাংশ মানুষেরই।

গচ্ছিত সামান্যপরিমাণ জমানো টাকা খরচ করে দিন পারকরছেন পরিবারগুলো।

আগের মত সংসার চালাতে ঠিকই প্রতিদিন টাকা খরচ হচ্ছে।
দুঃখের বিষয় হলো সত্যিকারে একটাকাও উপার্জন নেই।

হতদরিদ্র অসহায় খেটে খাওয়া মানুষেরা ত্রাণসামগ্রী পেলেও
মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত
পরিবারগুলোর পক্ষে লোকলজ্জায় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে বা নিদিষ্ট স্থানে
ত্রাণ সংগ্রহ করা অসম্ভব।

পরিবারপরিজন নিয়ে বোবাকান্না করা ছাড়া উপায় নেই মধ্যবিত্ত পরিবারের।

করোনা ভাইরাসের
কারণে সারাদেশে মতন চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলাকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও বাংলাদেশের বিশেষজ্ঞরা চট্টগ্রামকে সবচেয়ে ঝুঁকি ঘোষণা করেছে।

চট্টগ্রাম জেলার করোনা ভাইরাস
আক্রান্ত রোগীদের একটা বড় অংশই চট্টগ্রাম নগরী ও
সাতকানিয়া উপজেলায় ।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ
ঠেকাতে বিভিন্ন উপজেলাতে লকডাউন করা হয়েছে। প্রশাসনের
কঠোর নজরদারিতে রয়েছে পুরা চট্টগ্রাম জেলা। ।
বর্তমানে পুরোপুরি চট্টগ্রাম জেলার সাথে যোগাযোগ বন্ধ।
চট্টগ্রামে এসবএলাকায় সকল প্রকার যানবাহন চলাচল
বন্ধ রয়েছে। নিত্যপণ্যের ওষুদের খাদ্যসমাগ্রীর গাড়ী ত্রাণের গাড়ী ছাড়া পরিবহন সেক্টর বন্ধ। প্রতিদিনের নিত্যপণ্যের দোকানপাঠ সরকারি সির্ন্ধান্ত মত খোলা রয়েছে।

শুধু ওষুধের দোকান ছাড়া সব
ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন।
এমন পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম সব এলাকার মধ্যবিত্ত মানুষেরা চরম দুর্ভোগে মানবতার দিন কাটাছে। দিন
দিন বেড়েই চলছে বিভিন্ন পণ্যের দাম।
করোনা ভাইরাসের
আতঙ্কের সঙ্গে আর্থিক ক্ষতির সাথে যোগ হয়েছে দুরচিন্তায়
রয়েছেন অধিকাংশ মধ্যবিত্ত পরিবার।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) মধ্যবিত্ত বেশ
কয়েকটি পরিবারের সাথে ফোন করে এমন তথ্যই উঠে আসে।

মধ্যবিত্ত এসব
পরিবারের মধ্যে তৈরি কাপড়ের
দোকানি, পুস্তক ব্যবসায়ী,
কনফেকশনানি দোকানি, দুগ্ধজাত
খামার, সিএনজি চালক,বাস চালক সেলম্যান, ডিলার, সাংবাদিক শিক্ষক সহ নানান পেশায় নিয়োজিত পরিবার গুলো।

এসব শ্রেণি-পেশার সাধারণ
মানুষেরা ভবিষ্যৎ জীবন নিয়ে বেশ
চিন্তিত রয়েছেন বলে জানা গেছে।

বর্তমান সময়ে আলোচিত মাধ্যম ফেসবুকে অনেকে ব্যক্তিগতজীবন নিয়ে পোষ্ট করেছে মধ্যবিত্ত মানি কষ্টের জীবন, মধ্যবিত্ত পরিবার পরিজন নিয়ে মানবতার জীবন কাটাতে হচ্ছে ইত্যাদি ইত্যাদি।
চন্দনাইশে একজন মোরগীর খামারী কান্নতে কান্নতে বলেছেন হয়তো এই ভাবে কিছুদিন গেলে না খেয়ে মরতে হবে। বরকল এলাকার একজন ব্যবসায়ী বলেন জীবন খুব সুন্দর চলছিল হঠ্যাৎ করে
জীবন চাক্কা থেমেগেল। কেউ বিশ্বাস করছেনা কত কষ্টে আছি এই বুঝি মধ্যবিত্ত জীবন। একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী বলেন ব্যবসা এবং সংসার ভালোভাবে চলছিল। কিন্তু হঠ্যাৎ করে করোনা নামক মহামারিতে সব লন্ডভন্ড হয়েগেল।
এমন ভাবে সমস্যাতে পড়েছি যখন তিলতিল করে জমানো টাকা দিয়ে একটা মাতাগুজার জন্য একটা বাড়ী করতে গেলাম, বাড়ীও প্রায় কাজ ৭০% শেষপ্রান্তে ধিরে ধিরে ব্যবসার লাভের অংশদিয়ে বাকী কাজ করবো ঠিক তখনি তমকে গেল সব।

ফলে ঘরে জমানো টাকা যা ছিলো তাও শেষ, কবে কখন ব্যবসা চালু হবে তারও কোন হিসাব নেই। এমন অবস্থায় মানবতার জীবনযাপন করতে হচ্ছে। সবাই তো একজন ব্যবসায়ী হিসাবে চিনেন। এখন তো কেউ ধারও দিচ্ছে না কিভাবে সংসার চালাবো আল্লাহ্ জানে বলতে বলতে দু’চোখে জল চলে আশে।
কিন্তু এখন ঘরে বসে থাকতে
হচ্ছে। একসময়ে অসহায়-দরিদ্র মানুষকে নিজে সাহায্য সহযোগীতা করতাম আর এখন!

এখনতো নিজেই বিপদে পরে গেছি।
আয়রোজগার বন্ধ। কিন্তু মুখতো বন্ধ না!
একটা চাপা যন্ত্রণা অনুভব করছি প্রতিটি মুহুর্তে।

এ অবস্থা চলতে থাকলে আগামী দিনগুলোতে মধ্যবিত্তরা সত্যিকার
অর্থেই বড় বিপদে পরবে।

হতদরিদ্র গরীব অসহায় খেটে
খাওয়া মানুষেরা সহজেই খাদ্য
সহযোগিতা পেয়ে যাবে।

কিন্তু
আমাদের মতো হাজারও মধ্যবিত্ত পরিবারের কষ্টটা বুকে জমানো থাকবে কেউ দেখবেনা কেউ বলবেনা খেয়েছিকিনা।

আর আমরা তো মধ্যবিত্ত কাপড়েচোপড়ে তো আমরা অনেক বড় লোক, আবার কমবেশি সবার চেনা মুখ। তাই
লাইনে দাঁড়িয়ে ত্রাণ নেওয়ার মতো
পরিস্থিতিও তো আমাদের নেই।

সমাজের মধ্যবিত্ত
মানুষের প্রত্যাশা খুব বেশি নয়। শুধু
সম্মানের সঙ্গে একটু খেয়ে-পড়ে
বাঁচাটাই এদের জীবন।

সমাজের এ
পরিবারগুলো সাধারণ একটা শ্রেণির
কাছে অনুসরণীয়। যাদের সম্মানের
চোখেই দেখে সমাজ। কিন্তু বর্তমানের
এ পরিস্থিতিতে চরম বিপাকে পড়েছে এ মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো।

করোনা পরিস্থিতিতে
অসংখ্য খেটে খাওয়া, দিনমজুর, দরিদ্র
মানুষেরা ত্রাণসামগ্রী পাচ্ছেন।
বিভিন্ন মাধ্যম থেকে এ খাদ্যসামগ্রী
পেয়ে তারা কিছুটা দিন অন্তত
নিশ্চিন্তবোধ করলেও সমাজের
মধ্যবিত্ত শ্রেণির পরিবার গুলো অসহাদের মত জীবনযাপন করতেছে।

কবে কখন নিয়ন্ত্রণে আসবে করোনা নামক পরিস্থিতি?
আদৌ তাড়াতাড়ি আসবে কিনা
নিয়ন্ত্রণ। নাকি দীর্ঘমেয়াদী এ সঙ্কট
বিরাজ করবে। তাতে করে আগামী
দিনগুলো পরিবার-পরিজন নিয়ে ঠিক
মতো খেয়ে-পরে টিকে থাকতে পারবেন
তো তারা?

এ প্রশ্নেই এখন মধ্যবিত্ত পরিবারের।

বর্তমান দেশের এমন পরিস্থিতিতে সরকার প্রদান মাননীয় প্রধান মন্ত্রী বার বার বলতেছে মধ্যবিত্তদের করুণ পরিস্থিতির কথা কিন্তুু কে শোনে কার কথা।
আজ মধ্যবিত্তদের একটা কথা আমরা তো মানুষ। মধ্যবিত্ত বলে আমাদের করুণার পাত্র নয়,আমাদের তো বাঁচার অধিকার আছে।
আমাদের প্রতি ভালোবাসার হাত বাড়িয়েদেন।

ফেসবুক মন্তব্য করুন



আনোয়ারায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে এক নারীর মৃত্যু

১৫ আনসার ব্যাটালিয়ন অধিনায়কের পটিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আইসোলেশন সেন্টার পরিদর্শন ও সুরক্ষা সামগ্রী বিতরন

পটিয়ায় মাচা পদ্ধতিতে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল পালন প্রকল্পে উপকরণ বিতরণ স্বল্প আয়ের মানুষদের উৎসাহিত করতে হবে: হুইপ সামশুল হক চৌধুরী

পটিয়ায় কৃষি অফিসের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা কিশোরী, ৯ মাস পর মামলা

আল্লামা নঈমীর মৃত্যুতে চন্দনাইশ উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুল জব্বারের চৌধুরীর শোক

পটিয়া পৌরসভা ছাত্রলীগের (প্রবীণ নবীন) এর পরিচালনায় চালু হয়েছে ‘অক্সিজেন টিম সাপোর্ট পটিয়া’।

চন্দনাইশে অসচ্ছল ২ জন সংস্কৃতিসেবীকে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে অনুদানের চেক বিতরণ

চন্দনাইশে ১০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৬৯ জন নন-এমপিও শিক্ষক ও ১৯ জন কর্মচারী প্রধানমন্ত্রীর অনুদানের চেক পেল

আল্লামা মুফতি ওবাইদুল হক নঈমী’র মৃত্যুতে যুবলীগ নেতা হোসাইন রনির শোক

চট্টগ্রাম রাঙ্গুনিয়ার অধিবাসী মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির ইবনে মোহাম্মদ

বাঁশখালীতে ১৪ বছরের মেয়েকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে পালাক্রমে ধর্ষন- ৪ ধর্ষক গ্রেপ্তার

সাতকানিয়ার এসএসসি পরীক্ষার্থী জান্নাতুল ফেরদৌসকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন

বাশঁখালীতে এস.এস.সি পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে ভুয়া শিক্ষক গ্রেপ্তার

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় ১৫ টি ঘরে আগুন

আগামী ৩ মাসের বিদ্যুৎ, পানি ও গ্যাস বিল মওকুফের দাবী বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের

দোহাজারী সাঙ্গু নদী থেকে আলম নামে এক যুবকের লাশ উদ্ধার

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য মনোনীত হলেন সাংসদ নজরুল ইসলাম চৌধুরী

লবণের দাম বৃদ্ধির ‘গুজব’, বেশি দামে লবণ বিক্রি করায় চন্দনাইশে ৪ প্রতিষ্ঠানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা

বাঁশখালীতে গণ ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি মজিদ বন্দুক যুদ্ধে নিহত